ইউটিউব চ্যানেল এর জন্য নাম নির্বাচন | ইউটিউব থেকে আয় করুন সহজেই !
ইউটিউব চ্যানেল এর জন্য নাম নির্বাচন | ইউটিউব থেকে আয় করুন সহজেই !
ইউটউবিং করার সিন্ধান্ত নেওয়ার পর প্রথম কাজ হলো ইউটিউব চ্যানেলের জন্য আকর্ষনীয় একটি নাম পছন্দ করা। নাম যত ইউনিক ও আকর্ষনীয় হবে ভিউয়ার তত বেশি আকৃষ্ট হবে। তাছাড়া আপনার পছন্দ করা ভিডিও কনটেন্ট এর সাথে মিলিয়ে এবং আকর্ষনীয় নাম চ্যানেলের সার্বিক উন্নতি সাধনে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। সাথে খেয়াল রাখতে হবে আপনার পছন্দ করা বিষয়ের ভিডিও দেখতে মানুষ কতটা আগ্রহী ও কি লিখে সার্চ করে। আপনার চ্যানেলের নামের মধ্যে যদি সেই বিষয় গুলো তুলে ধরা যায়, তাহলে খুব ভালো হয়। আপনার চ্যানেল S.E.O ও অটোমেটিক ভাবে হয়ে যাবে। যেমন টেকনোলোজি বিষয় নিয়ে আমার একটি ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে। বাংলাদেশ তথা বিশ্বব্যাপি টেকনোলোজি বিষয়ক ভিডিও দেখার ব্যাপারে মানুষের প্রচুর আগ্রহ রয়েছে। এ সম্পর্কিত সকল প্রকার ভিডিও বিশ্বব্যাপী টেক, টেকনোলোজি বা টিওটোরিয়াল বলে পরিচিত। তাই আমি আমার ইউটিউব চ্যানেলের নাম দিয়েছি Future Tech BD. আবার আমার যেহেতু বাংলাদেশি ইউটিউব চ্যানেল তাই আমি আমার ইউটিউব চ্যানেলের নামের শেষে BD যক্ত করেছি। এতে যেকোন দেশের দর্শক সহজেই বুঝতে পারবে এটা বাংলাদেশি ইউটিউব চ্যানেল। সেই সাথে এটা যে টেকনোলোজি বিষয়ক ইউটিউব চ্যানেল এর জন্য নামের মধ্যে টেক কথাটা রেখেছি।
তাছাড়া একটি নাম ফুটিয়ে তোলা ও দেখার সৌন্দর্য অনেক গুরুত্বপূর্ন। ভাবুন আপনি একদিন ইউটিউবের সিলভার ও গোল্ড প্লে-বাটন এ্যাওয়ার্ড পাবেন এবং সেই বাটনে আপনার ইউটিউব চ্যানেলের নাম খোদাই করে লিখা থাকবে। এছাড়া কোন বন্ধূ বা পরিচিতজনের কাছে নিজের চ্যানেলের নাম বলতে গেলেও সুন্দর ও আকর্ষনীয় ভাবে নামটি বলতে আপনার মাঝে এক বিশেষ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ কাজ করবে। তবে আপনি যদি নিজের নামে ইউটিউব চ্যানেল খুলতে চান তাহলে এত কিছু ভাবার কোন প্রয়োজন নেই। কেননা নিজের নামটাই একদিন ব্রান্ড হয়ে উঠবে। যা আপনাকে এক অনন্য সম্মানের জায়গায় নিয়ে পৌছে দেবে। তবে আপনার নামে যদি অন্য কোন বড় চ্যানেল জনপ্রিয় ইউটিউব চ্যানেল থাকে তাহলে নামের সাথে অন্য কিছু যুক্ত করে নামটি ইউনিক করতে হবে।
ধরা যাক আপনার না সালমান মুক্তাদির। আপনার বাবা-মা আপনার এই নাম রেখেছেন। এখন আপনি ইউটিউবিং করতে চান কিন্ত এই নামে ইউটিউবে বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় ফানি ভিডিও এর ইউটিউব চ্যানেল আছে এবং তার অনেক বড় একটা অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে। এখন আপনিও যদি এই নামে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করেন, তাহলে ভিউয়ার জনপ্রিয় ইউটিউবার সালমান মুক্তাদির ইউটিউব চ্যানেলটি খুজে পাবে আপনার ভিডিও বা ইউটিউব চ্যানেলটি তারা পাবে না। এছাড়া ইউটিউবে আপনার নিজের নামের কোন ব্যাক্তি পরিচয় তৈরি হবে না। এমনকি অনেকে সালমান মুক্তাদির কে কপি মেরেছেন ভেবে আপনাকে গালাগাল দিবে। তাই এই ধরনের ঝামেলা এড়াতে নিজের নামের সাথে কোন ইউনিক কোন শব্দ যুক্ত করে নামটি আরও আকর্ষনীয় করে তুলতে পারেন।
যেমন, একজন জনপ্রিয় বাংলাদেশি ইউটিবার ও প্রযুক্তি বিশ্লেষক সোহাগ মিয়া তার নামের সাথে Shohag360(Bangali) যুক্ত করেছেন। এই নামের মধ্যে যেমন সোহাগ নামটি উঠে এসেছে তেমনি 360 দিয়ে সম্পূর্ন কোন বা সবকিছু বোঝানো হয়েছে। তিনি যেহেতু প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করেন, কাজেই প্রযুক্তি সম্পর্কিত সবকিছুই এর মধ্যে থাকবে। আবার এটা যে বাংলাদেশি ইউটিউব চ্যানেল সেটাও তার চ্যানেলের নামের মধ্যে তুলে ধরা হয়েছে।
নামের কাষ্টম ইউআরএর ব্যাবহার করা
নামের ইউআরএল (URL) মানে হলো সহজ ভাষায় বলতে গেলে আপনার ইউটিউব চ্যানেলের ঠিকানা বা ওয়েব এ্যাড্রেস। যেমন আমি বর্তমানে টেকনোলোজি, টিওটোরিয়াল বা টেকনিক্যাল যে সমস্যা এর সমাধান নিয়ে ভিডিও বানাই সেই ইউটিউব চ্যানেলের নাম: Future Tech BD.
www.youtube.com/futuretechbdhttps://www.youtube.com/futuretechbd এই লিংক ভিজিট করলে আপনি সরাসরি আমার ইউটিউব চ্যানেল এ পৌছে যাবেন। অথ্যাৎ এটাই আমার ইউটিউব চ্যানেলের কাষ্টম ইউআরএল। আমার ইউটিউব চ্যানেলের নামের সাথে এই লিংক এর হুবহু মিল রয়েছে। যদি আপনার ইউটিউব চ্যানেলের নাম দিয়ে কাষ্টম ইউআরএ তৈরি করতে চান তবে আগে আপনাকে ইউটিউবে সার্চ করে দেখতে হবে এই নামে কি পূবে কোন কাষ্টম ইউআরএল অন্য কেউ ব্যাবহার করেছে কিনা। তাই ইউটিউব চ্যানেলের নাম পছন্দ করার পর সেটা ইউটিউবে গিয়ে যাচাই করে দেখতে হবে। www.youtube.com/আপনার পছন্দের নাম কোন স্প্রেস বা ফাকা না রেখে লিখে ইউটিউবে সার্চ করলেই জানতে পারবেন এই কাষ্টম ইউআরএল টা কি পূর্বে কেই ব্যাবহার করেছে কি নাহ। আর যদি এই নামটি আগে অন্য কেউ ব্যাবহার না করে থাকে তাহলে আপনি সেটা ব্যাবহার করতে পারবেন।
এখন প্রশ্ন হলো চ্যানেলের নামের সাথে মিল রেখে কাষ্টম ইউআরএল টা দেওয়া কি খুব জরুরি ? উত্তর হলো না। এটা অতটা জরুরি নয় তবে ইউটিউব চ্যানেলের সাথে মিল রেখে কাষ্টম ইউআরএল থাকলে অন্যকে খুব সহজে জানানো যায় বা লিংক দিতে সহজ হয় এবং এতে ইউটিউবের সবকিছুতে নিজের চ্যানেলের স্বতন্ত্রতা বজায় থাকে। কাষ্টম ইউআরএল যদি চ্যানেলের সাথে মিল না হয় এতে তেমন কোন সমস্যা নেই। এমকি চ্যানেলের এসইও বা সার্চে কোন রকম সমস্যাও হয় না।
আপনার ইউটিউব যাত্রা শুভ হোক এটাই প্রত্যাশা। পোষ্ট টা শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের জানার সুযোগ করে দিন এবং আমার সাথেই থাকুন। আমি পর্যায়ক্রমে ইউটিউব বিষয়ের উপর ধারাবাহিক ভাবে অলোচনা করার চেষ্টা করবো।
আর্টিকেল লেখক,
এফ টি সাজ্জাদ (ইউটিউবার ও ব্লগার)
ফিউচার টেক বিডি (ইউটিউব চ্যানেল)
ধন্যবাদ।
ইউটউবিং করার সিন্ধান্ত নেওয়ার পর প্রথম কাজ হলো ইউটিউব চ্যানেলের জন্য আকর্ষনীয় একটি নাম পছন্দ করা। নাম যত ইউনিক ও আকর্ষনীয় হবে ভিউয়ার তত বেশি আকৃষ্ট হবে। তাছাড়া আপনার পছন্দ করা ভিডিও কনটেন্ট এর সাথে মিলিয়ে এবং আকর্ষনীয় নাম চ্যানেলের সার্বিক উন্নতি সাধনে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। সাথে খেয়াল রাখতে হবে আপনার পছন্দ করা বিষয়ের ভিডিও দেখতে মানুষ কতটা আগ্রহী ও কি লিখে সার্চ করে। আপনার চ্যানেলের নামের মধ্যে যদি সেই বিষয় গুলো তুলে ধরা যায়, তাহলে খুব ভালো হয়। আপনার চ্যানেল S.E.O ও অটোমেটিক ভাবে হয়ে যাবে। যেমন টেকনোলোজি বিষয় নিয়ে আমার একটি ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে। বাংলাদেশ তথা বিশ্বব্যাপি টেকনোলোজি বিষয়ক ভিডিও দেখার ব্যাপারে মানুষের প্রচুর আগ্রহ রয়েছে। এ সম্পর্কিত সকল প্রকার ভিডিও বিশ্বব্যাপী টেক, টেকনোলোজি বা টিওটোরিয়াল বলে পরিচিত। তাই আমি আমার ইউটিউব চ্যানেলের নাম দিয়েছি Future Tech BD. আবার আমার যেহেতু বাংলাদেশি ইউটিউব চ্যানেল তাই আমি আমার ইউটিউব চ্যানেলের নামের শেষে BD যক্ত করেছি। এতে যেকোন দেশের দর্শক সহজেই বুঝতে পারবে এটা বাংলাদেশি ইউটিউব চ্যানেল। সেই সাথে এটা যে টেকনোলোজি বিষয়ক ইউটিউব চ্যানেল এর জন্য নামের মধ্যে টেক কথাটা রেখেছি।
তাছাড়া একটি নাম ফুটিয়ে তোলা ও দেখার সৌন্দর্য অনেক গুরুত্বপূর্ন। ভাবুন আপনি একদিন ইউটিউবের সিলভার ও গোল্ড প্লে-বাটন এ্যাওয়ার্ড পাবেন এবং সেই বাটনে আপনার ইউটিউব চ্যানেলের নাম খোদাই করে লিখা থাকবে। এছাড়া কোন বন্ধূ বা পরিচিতজনের কাছে নিজের চ্যানেলের নাম বলতে গেলেও সুন্দর ও আকর্ষনীয় ভাবে নামটি বলতে আপনার মাঝে এক বিশেষ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ কাজ করবে। তবে আপনি যদি নিজের নামে ইউটিউব চ্যানেল খুলতে চান তাহলে এত কিছু ভাবার কোন প্রয়োজন নেই। কেননা নিজের নামটাই একদিন ব্রান্ড হয়ে উঠবে। যা আপনাকে এক অনন্য সম্মানের জায়গায় নিয়ে পৌছে দেবে। তবে আপনার নামে যদি অন্য কোন বড় চ্যানেল জনপ্রিয় ইউটিউব চ্যানেল থাকে তাহলে নামের সাথে অন্য কিছু যুক্ত করে নামটি ইউনিক করতে হবে।
ধরা যাক আপনার না সালমান মুক্তাদির। আপনার বাবা-মা আপনার এই নাম রেখেছেন। এখন আপনি ইউটিউবিং করতে চান কিন্ত এই নামে ইউটিউবে বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় ফানি ভিডিও এর ইউটিউব চ্যানেল আছে এবং তার অনেক বড় একটা অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে। এখন আপনিও যদি এই নামে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করেন, তাহলে ভিউয়ার জনপ্রিয় ইউটিউবার সালমান মুক্তাদির ইউটিউব চ্যানেলটি খুজে পাবে আপনার ভিডিও বা ইউটিউব চ্যানেলটি তারা পাবে না। এছাড়া ইউটিউবে আপনার নিজের নামের কোন ব্যাক্তি পরিচয় তৈরি হবে না। এমনকি অনেকে সালমান মুক্তাদির কে কপি মেরেছেন ভেবে আপনাকে গালাগাল দিবে। তাই এই ধরনের ঝামেলা এড়াতে নিজের নামের সাথে কোন ইউনিক কোন শব্দ যুক্ত করে নামটি আরও আকর্ষনীয় করে তুলতে পারেন।
যেমন, একজন জনপ্রিয় বাংলাদেশি ইউটিবার ও প্রযুক্তি বিশ্লেষক সোহাগ মিয়া তার নামের সাথে Shohag360(Bangali) যুক্ত করেছেন। এই নামের মধ্যে যেমন সোহাগ নামটি উঠে এসেছে তেমনি 360 দিয়ে সম্পূর্ন কোন বা সবকিছু বোঝানো হয়েছে। তিনি যেহেতু প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করেন, কাজেই প্রযুক্তি সম্পর্কিত সবকিছুই এর মধ্যে থাকবে। আবার এটা যে বাংলাদেশি ইউটিউব চ্যানেল সেটাও তার চ্যানেলের নামের মধ্যে তুলে ধরা হয়েছে।
নামের কাষ্টম ইউআরএর ব্যাবহার করা
নামের ইউআরএল (URL) মানে হলো সহজ ভাষায় বলতে গেলে আপনার ইউটিউব চ্যানেলের ঠিকানা বা ওয়েব এ্যাড্রেস। যেমন আমি বর্তমানে টেকনোলোজি, টিওটোরিয়াল বা টেকনিক্যাল যে সমস্যা এর সমাধান নিয়ে ভিডিও বানাই সেই ইউটিউব চ্যানেলের নাম: Future Tech BD.
www.youtube.com/futuretechbdhttps://www.youtube.com/futuretechbd এই লিংক ভিজিট করলে আপনি সরাসরি আমার ইউটিউব চ্যানেল এ পৌছে যাবেন। অথ্যাৎ এটাই আমার ইউটিউব চ্যানেলের কাষ্টম ইউআরএল। আমার ইউটিউব চ্যানেলের নামের সাথে এই লিংক এর হুবহু মিল রয়েছে। যদি আপনার ইউটিউব চ্যানেলের নাম দিয়ে কাষ্টম ইউআরএ তৈরি করতে চান তবে আগে আপনাকে ইউটিউবে সার্চ করে দেখতে হবে এই নামে কি পূবে কোন কাষ্টম ইউআরএল অন্য কেউ ব্যাবহার করেছে কিনা। তাই ইউটিউব চ্যানেলের নাম পছন্দ করার পর সেটা ইউটিউবে গিয়ে যাচাই করে দেখতে হবে। www.youtube.com/আপনার পছন্দের নাম কোন স্প্রেস বা ফাকা না রেখে লিখে ইউটিউবে সার্চ করলেই জানতে পারবেন এই কাষ্টম ইউআরএল টা কি পূর্বে কেই ব্যাবহার করেছে কি নাহ। আর যদি এই নামটি আগে অন্য কেউ ব্যাবহার না করে থাকে তাহলে আপনি সেটা ব্যাবহার করতে পারবেন।
এখন প্রশ্ন হলো চ্যানেলের নামের সাথে মিল রেখে কাষ্টম ইউআরএল টা দেওয়া কি খুব জরুরি ? উত্তর হলো না। এটা অতটা জরুরি নয় তবে ইউটিউব চ্যানেলের সাথে মিল রেখে কাষ্টম ইউআরএল থাকলে অন্যকে খুব সহজে জানানো যায় বা লিংক দিতে সহজ হয় এবং এতে ইউটিউবের সবকিছুতে নিজের চ্যানেলের স্বতন্ত্রতা বজায় থাকে। কাষ্টম ইউআরএল যদি চ্যানেলের সাথে মিল না হয় এতে তেমন কোন সমস্যা নেই। এমকি চ্যানেলের এসইও বা সার্চে কোন রকম সমস্যাও হয় না।
আপনার ইউটিউব যাত্রা শুভ হোক এটাই প্রত্যাশা। পোষ্ট টা শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের জানার সুযোগ করে দিন এবং আমার সাথেই থাকুন। আমি পর্যায়ক্রমে ইউটিউব বিষয়ের উপর ধারাবাহিক ভাবে অলোচনা করার চেষ্টা করবো।
আর্টিকেল লেখক,
এফ টি সাজ্জাদ (ইউটিউবার ও ব্লগার)
ফিউচার টেক বিডি (ইউটিউব চ্যানেল)
ধন্যবাদ।

No comments