ইউটিউব চ্যানেল খুলতে কি কি লাগে ? ইউটিউব থেকে আয় করুন সহজেই ! ইউটিউব মার্কেটিং !
ইউটিউব চ্যানেল খুলতে কি কি লাগে ? ইউটিউব থেকে আয় করুন সহজেই, ইউটিউব মার্কেটিং !
ইউটিউবিং করতে আগ্রহি যেকোন মামুয়েসর প্রথম প্রশ্ন হলো ইউটিউব চ্যোনেল খুলেতে কি কি লাগে ? আসলে ইউটিউব চ্যানেল খুলতে এবং তার জন্য ভিডিও তৈরি করতে কিছুই লাগে না। শুধু লাগে ইচ্ছা শক্তি, ধৈয্য ও আগ্রহ। একটি গুগল একাউন্ট তথা জিমেইল একাউন্ট দিয়ে বিনা মূল্যে গুগলের সকল সব সেবা গ্রহন করা যায়। ইউটিউব যেহেতু গুগলের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান তাই ইউটিউবে লগইন করে খুব সহজেই ক্রিয়েটর ষ্টুডিওতে গিয়ে ইউটিউব চ্যানেল খুলতে পারেন। মাত্র কয়েক মিনিটেই একটি ইউটিউব চ্যানেল খোলা হয়ে যায়। কিন্তু চ্যানেল খুলতে পারাটাই বড় কোন সাফল্য নয়। সাফল্য আসে সেই চ্যানেলে দীর্ঘদিন কাজ করার মধ্য দিয়ে।
এখন অনেকে বলতে পারে, ইউটিউবের জন্য ভিডিও বানাতে অনেক দামি ক্যামেরা, কম্পিউটার ও সফটয়্যার এর প্রয়োজন হয়। তাহলে আমি কেন বলছি যে ইউটিউবিং করতে কিছুই লাগে না ? ভালো কোয়ালিটির ভিডিও তৈরি করতে দামি ক্যামেরা, কম্পিউটার এবং অনেক যন্ত্রাংশ এর প্রয়োজন পড়ে হ্যা এটা সত্যি। তবে ইউটিউবিং শুরু করার জন্য আপনার কোনকিছুই প্রয়োজন হবে না। আপনি চাইলে আপনার মোবাইল ফোন দিয়েই ভিডিও শুট করেই কোন রকম এডিট বা সম্পাদনা ছাড়াই ইউটিউবে ভিডিও আপলো করতে পারেন। তবে প্লেষ্টোরে ফ্রি তে অনেক সফটওয়্যার পাওয়া যায়। যার মাধ্যমে অনেক ভালো ভিডিও এডিটিং করা যায়। এই ব্যাপারে না হয় অন্য কোন অর্টিকেল লিখে জানাবো।
তাই এই অর্থে বলা যায় ইউটিউবিং করতে তেমন কিছুই লাগে না। কেননা মোবাইল ফোন সচরাচর স্বাভাবিক যোগাযোগের জন্য আমরা ব্যাবহার করে থাকি। আপনি আপনার সেই মোবাইল ফোনটা ব্যাবহার করেই হয়ে উছতে পারেন জনপ্রিয় ইউটিউবার। শুরু করার পর্যায়ক্রমে কাজের মান ভালো করার স্বার্থে সাধ্যমতো বিভিন্ন যন্ত্রাংশ কিনে ধীরে ধীরে নিজের ষউডিও তৈরি করতে পারেন।
দশ হাজার টাকা মূল্যের মোবাইল ফোন দিয়েও ভিডিও করা যায় আবার লক্ষ টাকার মোবাইল ফোন দিয়েও ভিডিও করা যায়। আপনি কোন ক্যমেরায় ভিডিও শুট করবেন সেটা নির্ভর করবে আপনার সাধ্যের উপর। সুতরাং শুরুটা খুব নিম্নমানের নিজের মোবাইল ফোন দিয়েই করতে পারেন। তারপর ধাপে ধাপে নিজের কাজ ও যন্ত্রাংশ এর পরিবর্তন করতে পারেন। আগে শুরুতো করুন, পরের ধাপটা পরেই না হয় দেখা যাবে। আপনার ইউটিউব যাত্রা শূভ হোক এটাই প্রত্যাশা। পোষ্ট টা শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের জানার সুযোগ করে দিন এবং আমা সাথেই থাকুন। আমি পর্যায়ক্রমে ধারাবাহিক ভাবো অলোচনা করার চেষ্টা করবো।
আর্টিকেল লেখক,
এফ টি সাজ্জাদ (ইউটিউবার ও ব্লগার)
ফিউচার টেক বিডি (ইউটিউব চ্যানেল)
ধন্যবাদ।
ইউটিউবিং করতে আগ্রহি যেকোন মামুয়েসর প্রথম প্রশ্ন হলো ইউটিউব চ্যোনেল খুলেতে কি কি লাগে ? আসলে ইউটিউব চ্যানেল খুলতে এবং তার জন্য ভিডিও তৈরি করতে কিছুই লাগে না। শুধু লাগে ইচ্ছা শক্তি, ধৈয্য ও আগ্রহ। একটি গুগল একাউন্ট তথা জিমেইল একাউন্ট দিয়ে বিনা মূল্যে গুগলের সকল সব সেবা গ্রহন করা যায়। ইউটিউব যেহেতু গুগলের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান তাই ইউটিউবে লগইন করে খুব সহজেই ক্রিয়েটর ষ্টুডিওতে গিয়ে ইউটিউব চ্যানেল খুলতে পারেন। মাত্র কয়েক মিনিটেই একটি ইউটিউব চ্যানেল খোলা হয়ে যায়। কিন্তু চ্যানেল খুলতে পারাটাই বড় কোন সাফল্য নয়। সাফল্য আসে সেই চ্যানেলে দীর্ঘদিন কাজ করার মধ্য দিয়ে।
এখন অনেকে বলতে পারে, ইউটিউবের জন্য ভিডিও বানাতে অনেক দামি ক্যামেরা, কম্পিউটার ও সফটয়্যার এর প্রয়োজন হয়। তাহলে আমি কেন বলছি যে ইউটিউবিং করতে কিছুই লাগে না ? ভালো কোয়ালিটির ভিডিও তৈরি করতে দামি ক্যামেরা, কম্পিউটার এবং অনেক যন্ত্রাংশ এর প্রয়োজন পড়ে হ্যা এটা সত্যি। তবে ইউটিউবিং শুরু করার জন্য আপনার কোনকিছুই প্রয়োজন হবে না। আপনি চাইলে আপনার মোবাইল ফোন দিয়েই ভিডিও শুট করেই কোন রকম এডিট বা সম্পাদনা ছাড়াই ইউটিউবে ভিডিও আপলো করতে পারেন। তবে প্লেষ্টোরে ফ্রি তে অনেক সফটওয়্যার পাওয়া যায়। যার মাধ্যমে অনেক ভালো ভিডিও এডিটিং করা যায়। এই ব্যাপারে না হয় অন্য কোন অর্টিকেল লিখে জানাবো।
তাই এই অর্থে বলা যায় ইউটিউবিং করতে তেমন কিছুই লাগে না। কেননা মোবাইল ফোন সচরাচর স্বাভাবিক যোগাযোগের জন্য আমরা ব্যাবহার করে থাকি। আপনি আপনার সেই মোবাইল ফোনটা ব্যাবহার করেই হয়ে উছতে পারেন জনপ্রিয় ইউটিউবার। শুরু করার পর্যায়ক্রমে কাজের মান ভালো করার স্বার্থে সাধ্যমতো বিভিন্ন যন্ত্রাংশ কিনে ধীরে ধীরে নিজের ষউডিও তৈরি করতে পারেন।
দশ হাজার টাকা মূল্যের মোবাইল ফোন দিয়েও ভিডিও করা যায় আবার লক্ষ টাকার মোবাইল ফোন দিয়েও ভিডিও করা যায়। আপনি কোন ক্যমেরায় ভিডিও শুট করবেন সেটা নির্ভর করবে আপনার সাধ্যের উপর। সুতরাং শুরুটা খুব নিম্নমানের নিজের মোবাইল ফোন দিয়েই করতে পারেন। তারপর ধাপে ধাপে নিজের কাজ ও যন্ত্রাংশ এর পরিবর্তন করতে পারেন। আগে শুরুতো করুন, পরের ধাপটা পরেই না হয় দেখা যাবে। আপনার ইউটিউব যাত্রা শূভ হোক এটাই প্রত্যাশা। পোষ্ট টা শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের জানার সুযোগ করে দিন এবং আমা সাথেই থাকুন। আমি পর্যায়ক্রমে ধারাবাহিক ভাবো অলোচনা করার চেষ্টা করবো।
আর্টিকেল লেখক,
এফ টি সাজ্জাদ (ইউটিউবার ও ব্লগার)
ফিউচার টেক বিডি (ইউটিউব চ্যানেল)
ধন্যবাদ।

No comments